1. 2HcXAWkbjuoqZ5@gmail.com : 2HcXAWkbjuoqZ5 :
  2. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  3. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে অনুপ্রবেশের দায়ে মানব পাচাকারীসহ ৩ জনকে আটক সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও পুজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে সুনামগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা  যাদুকাটায় চলছে পাড় কাটার মহোৎসব দুইজনকে দুই মাস করে সাজা সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। ৭০ বছরের বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেঠে ছেলের বিরুদ্ধে টোল আদায় বন্ধে কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কায় ইজারাদার সুনামগঞ্জে আকাশ পথে নজরদারি সহ দূর্গাপুজায় বিশেষ নিরাপত্তায় এসআরবি চিকিৎসক, ঔষধ ও জনবল সংকটের পরও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় ৮ম সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জে ৪৪৫টি পুজা মন্ডপে করা হয়েছে পুজার আয়োজন।

আকাশযুদ্ধে ইরানের ‘সস্তা’ ড্রোনের দাপট

নিও.ডেস্ক :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

​আকাশযুদ্ধে ইরানের ‘সস্তা’ ড্রোনের দাপট

নিও. ডেস্ক :

​আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির লড়াই মানেই সবসময় কয়েক বিলিয়ন ডলারের সুপারসনিক জেট বা স্টিলথ বিমান নয়; বরং কখনও কখনও সস্তা ও সাধারণ মানের ড্রোনও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। ইরানের তৈরি শাহেদ সিরিজের ড্রোন এখন ঠিক সেই কাজটিই করছে।

​১. দামের বিশাল ব্যবধান: ১ বনাম ২০০

​ইরানের শাহেদ-১৩১ বা ১৩৬ ড্রোনগুলো তৈরি করতে খরচ হয় মাত্র ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার। অথচ এগুলোকে ভূপাতিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে প্যাট্রিয়ট বা থাড (THAAD) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে, তার প্রতিটি রকেটের দাম প্রায় ৪০ লাখ (৪ মিলিয়ন) ডলার।

​অর্থাৎ, একটি ড্রোন ধ্বংস করার খরচে ইরান চাইলে ২০০টি নতুন ড্রোন তৈরি করতে পারে। এই বিপুল অর্থনৈতিক ব্যবধানই ইরানকে যুদ্ধের কৌশলে এগিয়ে রাখছে।

​২. সংখ্যাতত্ত্বের কৌশল (Swarm Tactics)

​ইরানের কৌশলটি খুব সাধারণ কিন্তু কার্যকর:

  • ​রাডারকে ব্যস্ত রাখা: একসাথে শত শত ড্রোন পাঠিয়ে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত ও বিভ্রান্ত করে ফেলা।
  • ​মিসাইল খরচ করানো: প্রতিপক্ষ যখন ব্যয়বহুল মিসাইল দিয়ে এসব সস্তা ড্রোন ঠেকাতে ব্যস্ত থাকে, তখন ইরান তাদের আসল লক্ষ্য হিসেবে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

​৩. সাধারণ প্রযুক্তির অসাধারণ ক্ষমতা

​শাহেদ ড্রোনগুলো দেখতে ছোট হলেও এর কার্যকারিতা মারাত্মক:

  • ​ইঞ্জিন: এতে সাধারণ ৪-সিলিন্ডার পিস্টন ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, যা জ্বালানি সাশ্রয়ী।
  • ​পাল্লা ও আঘাত: এটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে (যেমন: তেল শোধনাগার বা সামরিক ঘাঁটি) আঘাত করতে পারে।
  • ​বিস্ফোরক: ছোট আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও এটি প্রায় ৪০ থেকে ৯০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম।

​৪. পশ্চিমা বিশ্বের নতুন সংকট:

​রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি—সবখানেই এই ‘লো-কস্ট’ ড্রোনের দাপট দেখা যাচ্ছে। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত বা যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৯০% থেকে ৯৬% ড্রোন রুখে দিচ্ছে, কিন্তু দিনশেষে আর্থিক ক্ষতির পাল্লাটি পশ্চিমাদের দিকেই ভারী হচ্ছে।

​মূল কথা: আকাশ সুরক্ষায় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়তো সম্ভব হচ্ছে, কিন্তু এই “অর্থনৈতিক যুদ্ধ” (Economic Attrition) মোকাবিলা করার মতো সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এখনও পশ্চিমাদের হাতে আসেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট