1. 2HcXAWkbjuoqZ5@gmail.com : 2HcXAWkbjuoqZ5 :
  2. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  3. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে অনুপ্রবেশের দায়ে মানব পাচাকারীসহ ৩ জনকে আটক সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও পুজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে সুনামগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা  যাদুকাটায় চলছে পাড় কাটার মহোৎসব দুইজনকে দুই মাস করে সাজা সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। ৭০ বছরের বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেঠে ছেলের বিরুদ্ধে টোল আদায় বন্ধে কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কায় ইজারাদার সুনামগঞ্জে আকাশ পথে নজরদারি সহ দূর্গাপুজায় বিশেষ নিরাপত্তায় এসআরবি চিকিৎসক, ঔষধ ও জনবল সংকটের পরও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় ৮ম সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জে ৪৪৫টি পুজা মন্ডপে করা হয়েছে পুজার আয়োজন।

বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান: বছরে আর্থিক ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

​বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান: বছরে আর্থিক ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট :

​দেশে সন্তান জন্মদানে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বুধবার আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল (AWCH) আয়োজিত ‘রিডিউসিং আননেসেসারি সিজারিয়ান সেকশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সভায় এই সংকটের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়।

​মূল পরিসংখ্যান (২০২৫)

  • ​মোট জন্ম: প্রায় ৩৫ লাখ শিশু।
  • ​অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার: ১৬ লাখ ৮০ হাজার।
  • ​আর্থিক ক্ষতি: বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

​বেসরকারি হাসপাতালের উদ্বেগজনক ভূমিকা

​গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালের তুলনায় বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারের হার অস্বাভাবিক বেশি।

  • ​বিশ্বব্যাপী গড়: প্রতি ৫টি শিশুর মধ্যে ১টি (২১%)।
  • ​বাংলাদেশে গড়: প্রতি ২টিতে ১টি (৪৫-৫২%)।
  • ​বেসরকারি ক্লিনিক: প্রতি ১০টি শিশুর মধ্যে ৮-৯টিই সিজারের মাধ্যমে জন্মায় (৮৫-৯০%)।

​বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭০ শতাংশেরই পর্যাপ্ত তদারকি নেই। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল বা মানসম্মত প্রসবকক্ষ না থাকায় আর্থিক লাভকে অগ্রাধিকার দিয়ে অস্ত্রোপচারকেই সহজ সমাধান হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে।

​ঝুঁকি ও নেতিবাচক প্রভাব:

​অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম জানান, স্বাভাবিক প্রসবকে মায়েদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ভয়ংকর বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে মায়েরা অযৌক্তিক ভয়ে সিজার বেছে নিচ্ছেন।​

স্বাস্থ্য ঝুঁকি: মা ও শিশু উভয়েই দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।​

মায়ের মৃত্যু: নব্বইয়ের দশকে অস্ত্রোপচার না পেয়ে মা মারা যেতেন, এখন অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের কারণে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।​

শিশুর বঞ্চনা: সিজারের ফলে শিশু জন্মের পরপরই মায়ের শরীরের স্পর্শ (Skin-to-skin contact) ও প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত হয়।

​সাফল্যের মডেল: আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল:

​অস্ত্রোপচার কমানো যে সম্ভব, তার প্রমাণ দিয়েছে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল। তারা বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে সিজারের হার ৭২% থেকে ৪২%-এ নামিয়ে এনেছে। তাদের কৌশলগুলো হলো:

  • ​প্রসব-পূর্ব কাউন্সেলিং।
  • ​সঠিক লেবার মনিটরিং ও অডিট।
  • ​আগে সিজার হলেও পরে স্বাভাবিক প্রসব (VBAC) পদ্ধতি উৎসাহিত করা।

​ভবিষ্যৎ সতর্কতা:

​সভায় জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে হাসপাতালে প্রসবের ৩০% ছিল অস্ত্রোপচার, যা ২০২২ সালে দাঁড়িয়েছে ৬৯%-এ। যদি এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে হাসপাতালে সন্তান প্রসবের ৯০ শতাংশই অস্ত্রোপচারে রূপ নিতে পারে।

​”বাস্তবতা হলো দেশে এখন আর স্বাভাবিক প্রসব নেই বললেই চলে। মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই গাফিলতি বন্ধ হওয়া জরুরি।”

— মো. সাঈদুর রহমান, সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট