1. 2HcXAWkbjuoqZ5@gmail.com : 2HcXAWkbjuoqZ5 :
  2. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  3. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে অনুপ্রবেশের দায়ে মানব পাচাকারীসহ ৩ জনকে আটক সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও পুজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে সুনামগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা  যাদুকাটায় চলছে পাড় কাটার মহোৎসব দুইজনকে দুই মাস করে সাজা সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। ৭০ বছরের বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেঠে ছেলের বিরুদ্ধে টোল আদায় বন্ধে কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কায় ইজারাদার সুনামগঞ্জে আকাশ পথে নজরদারি সহ দূর্গাপুজায় বিশেষ নিরাপত্তায় এসআরবি চিকিৎসক, ঔষধ ও জনবল সংকটের পরও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় ৮ম সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জে ৪৪৫টি পুজা মন্ডপে করা হয়েছে পুজার আয়োজন।

হাওর রক্ষায় কঠোর ‘সুরক্ষা কবচ’: নতুন অধ্যাদেশে জেল-জরিমানার কড়া বার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯১ বার পড়া হয়েছে

​হাওর রক্ষায় কঠোর ‘সুরক্ষা কবচ’: নতুন অধ্যাদেশে জেল-জরিমানার কড়া বার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট :

​দেশের বিপন্ন হাওর ও জলাভূমির অস্তিত্ব রক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অবৈধ দখল, ভরাট এবং পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারীদের রুখতে জারি করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’। গত ১৪ জানুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে, যা অবিলম্বে সারা দেশে কার্যকর হবে।

​১. অপরাধ ও শাস্তির বিধান: কঠোর অবস্থানে সরকার:

​নতুন এই অধ্যাদেশে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী কঠোর দণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে:

  • ​সর্বোচ্চ সাজা: ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা জরিমানা (বা উভয় দণ্ড)।
  • ​অপরাধের ধরন: জলাভূমি দখল, কান্দা ভরাট, অননুমোদিত খনন এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা।
  • ​আইনি কড়াকড়ি: এই অধ্যাদেশের আওতাধীন অপরাধগুলো ‘আমলযোগ্য’ এবং ‘অ-জামিনযোগ্য’ হিসেবে গণ্য হবে।

​২. যেসব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে:

​প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এই অধ্যাদেশ বেশ কিছু বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে:

  • ​অনিয়ন্ত্রিতভাবে পানি উত্তোলন এবং মাটি, বালু বা পাথর আহরণ।
  • ​পরিযায়ী (অতিথি) পাখি ও সংরক্ষিত জলজ প্রাণী শিকার।
  • ​জলাবন বিনষ্ট করা এবং বিষটোপ, কারেন্ট জাল বা ক্ষতিকর সরঞ্জাম দিয়ে মাছ ধরা।

​৩. ক্ষমতায়ন: বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর

​এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’কে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে:

  • ​বাধ্যতামূলক মতামত: এখন থেকে হাওর এলাকায় যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে এই অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হবে।
  • ​প্রকল্প যাচাই: প্রস্তাবিত প্রকল্পের ফলে পরিবেশ বা স্থানীয়দের জীবিকার ক্ষতি হবে কি না, তা অধিদপ্তর নিশ্চিত করবে।
  • ​অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: সরকার কোনো হাওরকে ‘সংরক্ষিত এলাকা’ ঘোষণা করলে, সেখানে থাকা ক্ষতিকর স্থাপনা অধিদপ্তর সরাসরি অপসারণ করতে পারবে।

​৪. মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা ও পরিবেশকর্মীদের প্রত্যাশা

​পরিবেশ ও মানবাধিকার উন্নয়নকর্মী সারোয়ার জাহান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, জাদুকাটা নদী এবং ভান্ডার খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়গুলো দখল ও বালু-পাথর লুটের কারণে আজ বিপন্ন। নতুন এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা গেলে নদী ও হাওরের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

​তবে উদ্বেগের চিত্রও ফুটে উঠেছে গ্রীন বাংলাদেশ বিডি-র পর্যবেক্ষণে। সংগঠনটির মতে, গত ১৭ বছর ধরে টাঙ্গুয়ার হাওর ও সংলগ্ন নদীগুলোতে উচ্চ আদালতের ভুল তথ্য দিয়ে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পাথর ভাঙার ক্রাশার মেশিন চালানো হচ্ছে। এর ফলে শব্দ ও পানি দূষণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা মা মাছের প্রজনন ও পরিযায়ী পাখিদের বিচরণকে বাধাগ্রস্ত করছে। নতুন অধ্যাদেশ এই দীর্ঘমেয়াদী অনিয়মগুলো বন্ধ করতে পারবে বলে সাধারণ মানুষ আশাবাদী।

​মূল লক্ষ্য: সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই কঠোর অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট