

নিও.ডেস্ক রিপোর্ট :
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে ইরান তাদের ৩৪তম দফায় এক বিশাল সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এবারের হামলার বিশেষত্ব ছিল অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার, যা শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছে।
ইরান এবার কেবল একটি নির্দিষ্ট দেশ নয়, বরং ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর সমন্বিত হামলা চালিয়েছে। উল্লেখযোগ্য লক্ষ্যবস্তুগুলো হলো:
আইআরজিসির বরাত দিয়ে মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই হামলায় বৈচিত্র্যময় অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করা হয়েছে:
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: যা আধুনিক রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।
তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরির ক্ষেপণাস্ত্র: যেগুলোর পাল্লা এবং ধ্বংসক্ষমতা আলাদা।
আইআরজিসির দাবি: তাদের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গোপন সমরাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে সরাসরি আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, তারা ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শনাক্ত করেছে। বর্তমানে তাদের আয়রন ডোম বা অ্যারো-এর মতো অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে এবং সেগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান অস্থিরতাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল, যেখানে সরাসরি মার্কিন এবং ইসরায়েলি স্থাপনাকে একইসাথে নিশানা করা হয়েছে।