

নিও.ডেস্ক:
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের প্রভাব বা ভূমিকা থাকার যে দাবি করেছেন, তাকে সরাসরি ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
|
বিষয় |
বর্তমান পরিস্থিতি |
|---|---|
|
মনোভাব |
অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং সংঘাতী মেজাজ। |
|
আলোচনা |
আমেরিকার সাথে নতুন কোনো সমঝোতার কোনো সংকেত নেই। |
|
সিদ্ধান্ত গ্রহণ |
সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। |
”ট্রাম্পের এসব দাবি কেবল অবান্তরই নয়, বরং ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে এগুলো এখন কৌতুকের বিষয়। ইরান পরিবর্তনের পথে নয়, বরং নিজস্ব কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই বেশি আগ্রহী।” — আব্বাস আসলানি, রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের শাসনব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে তেহরানে, ওয়াশিংটনে নয়। ট্রাম্পের ‘চাপ প্রয়োগের নীতি’ বা মধ্যস্থতার প্রস্তাব বর্তমানে ইরানের রাজনৈতিক মহলে কোনো ইতিবাচক সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে।