1. 2HcXAWkbjuoqZ5@gmail.com : 2HcXAWkbjuoqZ5 :
  2. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  3. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে অনুপ্রবেশের দায়ে মানব পাচাকারীসহ ৩ জনকে আটক সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও পুজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে সুনামগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা  যাদুকাটায় চলছে পাড় কাটার মহোৎসব দুইজনকে দুই মাস করে সাজা সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সুনামগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। ৭০ বছরের বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেঠে ছেলের বিরুদ্ধে টোল আদায় বন্ধে কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কায় ইজারাদার সুনামগঞ্জে আকাশ পথে নজরদারি সহ দূর্গাপুজায় বিশেষ নিরাপত্তায় এসআরবি চিকিৎসক, ঔষধ ও জনবল সংকটের পরও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় ৮ম সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জে ৪৪৫টি পুজা মন্ডপে করা হয়েছে পুজার আয়োজন।

​ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় পুলিশ

নিও.ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

​ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় পুলিশ

​নিও.ডেস্ক:

​ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।

​আজ রোববার (৮ মার্চ) এসটিএফ-এর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

​অভিযানের বিবরণ:

​এসটিএফ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড ও চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অপরাধ করে দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তাঁরা বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টায় সেখানে আত্মগোপন করেছিলেন। মধ্যরাতে পরিচালিত অভিযানে পটুয়াখালীর বাসিন্দা ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার আলমগীর হোসেনকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার পর তাঁরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানোর পর শেষ পর্যন্ত তাঁরা বনগাঁয় আশ্রয় নিয়েছিলেন।

​হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট:

​তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, নতুন ধারার রাজনীতির কারণে শরিফ ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর পুরানা পল্টনে জুমার নামাজের পর রিকশায় থাকা অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম সরাসরি গুলি করেন এবং আলমগীর তাঁকে সহযোগিতা করেন।

​নেপথ্যে যারা:

​অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। হত্যাকাণ্ডের পর মূল পরিকল্পনাকারী তাইজুল ইসলামও ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​বর্তমান অবস্থা:

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশ ও অন্যান্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। আজ তাঁদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট