

নিও.ডেস্ক :
ব্রাসেলসে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে জোটের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কাল্লাস জানান, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষপাতী নয় সদস্য দেশগুলো। ইউরোপের ভয়, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী এবং অনিশ্চিত পরিণতির দিকে মোড় নিতে পারে। তাদের মূল ফোকাস এখন কেবল বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা ও কূটনীতির ওপর।
ইউরোপের প্রভাবশালী দেশগুলো ব্যক্তিগতভাবেও তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে:
ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।
|
বিষয় |
তথ্য |
|---|---|
|
দৈনিক তেল পরিবহন |
প্রায় ২ কোটি ব্যারেল |
|
বর্তমান অবস্থা |
ইরানের কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ |
|
বৈশ্বিক প্রভাব |
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা শুরু |
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে অনেক দেশ এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে রাজি, যদিও নিরাপত্তার অজুহাতে তিনি কোনো দেশের নাম প্রকাশ করেননি। তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর এই গণ-প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প প্রশাসনের সেই দাবিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
ইউরোপ এখন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের চেয়ে রাজনৈতিক সমাধান ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বেশি আগ্রহী।