

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ |
সুনামগঞ্জ-৪ নির্বাচনী আসনের মাঠ এখন সরগরম। ভোটের সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে নির্বাচনী মাঠের চিত্র কিছুটা নাটকীয় মোড় নিয়েছে। বিশেষ করে, বিদ্রোহী প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী মিছিল না করার সিদ্ধান্ত ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে, যা সরাসরি ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এডভোকেট শামছ উদ্দিন এর মিছিলটি বেশ কৌতুহল সৃষ্টি করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে পরলে শেষ মুহুর্তে মোটরসাইকেলের ভোটার দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারণার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম মাধ্যম হলো বিশাল মিছিল। কিন্তু এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী এক হেভিওয়েট বিদ্রোহী প্রার্থী শেষ মিছিল না করায় সাধারণ ভোটারদের মনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। কেউ একে কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে মাঠ ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে ভাবছেন। এই অনিশ্চয়তা সাধারণ ভোটারদের মনস্তত্ত্বে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল প্রচার-প্রচারণায় এখন পর্যন্ত যোজন যোজন এগিয়ে রয়েছেন। তার পক্ষে কাজ করছে একঝাঁক উদ্যমী এবং প্রাণোচ্ছ্বল তরুণ, যাদের বলা হচ্ছে ‘তরুণ তুর্কি’। এই যুবশক্তির নিরলস পরিশ্রম নূরুল ইসলামকে অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে।
বিদ্রোহী প্রার্থীর নীরবতায় যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, তার বড় একটি অংশ নূরুল ইসলাম নূরুলের বাক্সে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই তরুণদের উদ্দীপনা আর প্রচারণার ধারাবাহিকতা ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।