

নিও.ডেস্ক :
ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে চরম অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান চালানোর কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তার নেই—তবে তা দয়া বা শান্তির জন্য নয়, বরং ইরানকে তিনি এখন আর “যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ” হিসেবেই গণ্য করছেন না।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তার সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড হারিয়ে ফেলেছে। তার ভাষ্যমতে:
সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছিলেন, “ইরান যেকোনো মার্কিন বা ইসরায়েলি স্থল হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত।” এই মন্তব্যকে স্রেফ “অযথা কথা” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সেই যুদ্ধের কোনো প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব নেই।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয়টি ছিল ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য। ট্রাম্প সরাসরি জানান:
”আমি বর্তমান ইরানি নেতৃত্ব কাঠামোকে পুরোপুরি সাফ (Clean out) করে দিতে চাই।”
তিনি আরও যোগ করেন যে, ইরান এমন একজন নেতা পাওয়ার যোগ্য যিনি দেশটিকে সঠিকভাবে চালাবেন। মজার ব্যাপার হলো, ট্রাম্প দাবি করেছেন তার জানামতে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যারা এই দায়িত্বটি ভালো পালন করতে পারবেন, যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।
ট্রাম্পের এই সাক্ষাৎকার থেকে এটি স্পষ্ট যে, তিনি আপাতত সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে জড়িয়ে মার্কিন অর্থ বা সৈন্য ব্যয় করতে রাজি নন। বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক-সামরিকভাবে দেশটিকে পঙ্গু করে দেওয়ার কৌশলকেই তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।