

ডেস্ক রিপোর্ট : ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তির মহড়া।
সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপার মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে অভিযানের ভয়াবহতা ও বিস্তৃতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই অপারেশনটি কেবল গতানুগতিক আক্রমণ নয়, বরং স্থল, নৌ ও আকাশপথে একযোগে পরিচালিত একটি সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপ।
”এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতি।” — ব্র্যাড কুপার, প্রধান, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও এই অভিযানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সমুদ্রের তলদেশ থেকে পরিচালিত সাবমেরিন অপারেশন এবং কৌশলী সাইবার আক্রমণ সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।
১. ঐতিহাসিক মাত্রা: এটিকে ইরাক যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ সামরিক সমাবেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২. প্রযুক্তির সমন্বয়: বিমান ও রণতরীর পাশাপাশি সাইবার ও সাবমেরিন যুদ্ধের সমন্বয় ইরানকে বহুমুখী চাপের মুখে ফেলেছে।