1. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  2. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​নির্বাচনে ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এমপি কামরুল সুনামগঞ্জে জাসাসের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত সুনামগঞ্জে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকিয়া সুলতানার বিদায় সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সুনামগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের ব্যাপক প্রচার সুনামগঞ্জে ব্যাংক গ্রাহকের টাকা ছিনতাইকালে নারীসহ ৩ ডাকাত আটক সুনামগঞ্জে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন তাহিরপুরে টাস্কফোর্সের অভিযানে হামলা: ২ বাল্কহেড ও ড্রেজার জব্দ, আটক ১ দিরাইয়ে ৪ মাস পর মদ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ আদালতের: রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া নিতে নারাজ লাইসেন্সধারী হাওরে মাছের মড়ক মোকাবেলায় প্রয়োজন আগাম প্রস্তুতি ও সতর্কতা – দুলাল মিয়া

বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান: বছরে আর্থিক ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান: বছরে আর্থিক ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট :

​দেশে সন্তান জন্মদানে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বুধবার আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল (AWCH) আয়োজিত ‘রিডিউসিং আননেসেসারি সিজারিয়ান সেকশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সভায় এই সংকটের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়।

মূল পরিসংখ্যান (২০২৫)

  • মোট জন্ম: প্রায় ৩৫ লাখ শিশু।
  • অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার: ১৬ লাখ ৮০ হাজার।
  • আর্থিক ক্ষতি: বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

বেসরকারি হাসপাতালের উদ্বেগজনক ভূমিকা

​গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালের তুলনায় বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারের হার অস্বাভাবিক বেশি।

  • বিশ্বব্যাপী গড়: প্রতি ৫টি শিশুর মধ্যে ১টি (২১%)।
  • বাংলাদেশে গড়: প্রতি ২টিতে ১টি (৪৫-৫২%)।
  • বেসরকারি ক্লিনিক: প্রতি ১০টি শিশুর মধ্যে ৮-৯টিই সিজারের মাধ্যমে জন্মায় (৮৫-৯০%)।

​বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭০ শতাংশেরই পর্যাপ্ত তদারকি নেই। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল বা মানসম্মত প্রসবকক্ষ না থাকায় আর্থিক লাভকে অগ্রাধিকার দিয়ে অস্ত্রোপচারকেই সহজ সমাধান হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে।

ঝুঁকি ও নেতিবাচক প্রভাব:

​অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম জানান, স্বাভাবিক প্রসবকে মায়েদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ভয়ংকর বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে মায়েরা অযৌক্তিক ভয়ে সিজার বেছে নিচ্ছেন।​

স্বাস্থ্য ঝুঁকি: মা ও শিশু উভয়েই দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।​

মায়ের মৃত্যু: নব্বইয়ের দশকে অস্ত্রোপচার না পেয়ে মা মারা যেতেন, এখন অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের কারণে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।​

শিশুর বঞ্চনা: সিজারের ফলে শিশু জন্মের পরপরই মায়ের শরীরের স্পর্শ (Skin-to-skin contact) ও প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত হয়।

সাফল্যের মডেল: আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল:

​অস্ত্রোপচার কমানো যে সম্ভব, তার প্রমাণ দিয়েছে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতাল। তারা বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে সিজারের হার ৭২% থেকে ৪২%-এ নামিয়ে এনেছে। তাদের কৌশলগুলো হলো:

  • ​প্রসব-পূর্ব কাউন্সেলিং।
  • ​সঠিক লেবার মনিটরিং ও অডিট।
  • ​আগে সিজার হলেও পরে স্বাভাবিক প্রসব (VBAC) পদ্ধতি উৎসাহিত করা।

ভবিষ্যৎ সতর্কতা:

​সভায় জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে হাসপাতালে প্রসবের ৩০% ছিল অস্ত্রোপচার, যা ২০২২ সালে দাঁড়িয়েছে ৬৯%-এ। যদি এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে হাসপাতালে সন্তান প্রসবের ৯০ শতাংশই অস্ত্রোপচারে রূপ নিতে পারে।

​”বাস্তবতা হলো দেশে এখন আর স্বাভাবিক প্রসব নেই বললেই চলে। মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই গাফিলতি বন্ধ হওয়া জরুরি।”

মো. সাঈদুর রহমান, সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট