ইরানে ঠিক কতজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বা নাগরিক বর্তমানে অবস্থান করছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে না পারলেও রাষ্ট্রদূত তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।
দূতাবাসের সমন্বয়: তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে।
বিশেষ অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান সরকার বিদেশিদের আলাদা কোনো দৃষ্টিতে দেখে না। বরং যেকোনো সংকটে ইরানি নাগরিকদের মতোই সেখানে অবস্থানরত বিদেশিদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি: কোনো ধরনের বিশেষ সহযোগিতার প্রয়োজন হলে ইরান সরকার তা দ্রুত সমাধানে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা:
সংকটকালীন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে পাওয়া নৈতিক সমর্থনের জন্য তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
”বাংলাদেশ সরকার বিবৃতির মাধ্যমে যে সহমর্মিতা দেখিয়েছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”
তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক স্তরের নেতৃবৃন্দ ইরানের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নাম উল্লেখ করে তিনি জানান যে, এসব সৌজন্য সাক্ষাতের ছবি ও বার্তা তিনি ইরানে পাঠিয়েছেন।
সর্বোচ্চ নেতার প্রয়াণ ও রাষ্ট্রদূতের আবেগ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত সাহসিকতা ও গৌরবের এক চিত্র তুলে ধরেন।
জনগণের সাথে অবস্থান: যুদ্ধকালীন অস্থিরতার মাঝেও আয়াতুল্লাহ খামেনি কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে সরে না গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন বলে তিনি জানান।
ঐতিহাসিক তুলনা: রাষ্ট্রদূত বিশিষ্ট সাহাবি খালেদ বিন ওয়ালিদ (রা.)-এর একটি উক্তি স্মরণ করে বলেন, “জনগণের মধ্য থেকে বিদায় নেওয়াই গৌরবের।”
পবিত্র বিদায়: রমজান মাসের মতো পবিত্র সময়ে নেতার মৃত্যুকে তারা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং ‘শাহাদাত’ হিসেবে দেখছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।