

ডেস্ক রিপোর্ট নি.ও: ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা। ঢাকার ১০৬টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলে দেখা গেছে, প্রায় ৬৯,৩৪৭টি ভোট পড়েছে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে, আর ‘না’ ভোট পড়েছে মাত্র ১৯,৯৪৫টি। যদি এই ধারা বজায় থাকে, তবে দেশের শাসনব্যবস্থায় নিচের আমূল পরিবর্তনগুলো আসতে যাচ্ছে:
বর্তমানে রাষ্ট্রপতি অনেকটা আলঙ্কারিক পদে থাকলেও নতুন সনদ অনুযায়ী তিনি শক্তিশালী হবেন। প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি ছাড়াও তিনি স্বাধীনভাবে নিয়োগ দিতে পারবেন:
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ১০০ সদস্যের একটি ‘উচ্চকক্ষ’ গঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে এই কক্ষের আসন বণ্টন করা হবে।
ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণ রোধে বড় সিদ্ধান্ত:
এখন থেকে সংসদ সদস্যরা কেবল অর্থবিল ও অনাস্থা প্রস্তাব ছাড়া অন্য সকল বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নিজের বিবেক অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন।
|
বিষয় |
প্রস্তাবিত পরিবর্তন |
|---|---|
|
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন |
গোপন ব্যালটে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সদস্যদের ভোটে নির্বাচন। |
|
ডেপুটি স্পিকার |
এই পদটি বাধ্যতামূলকভাবে বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবে। |
|
মৌলিক অধিকার |
জরুরি অবস্থাতেও মৌলিক অধিকার খর্ব করা যাবে না। |
|
ডিজিটাল অধিকার |
নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ও ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। |
|
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা |
কেবল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পরিবারের সম্মতি থাকলেই রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে পারবেন। |
পর্যবেক্ষণ: ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ মূলত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের একটি রূপরেখা। যদি জনগণের রায় শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে থাকে, তবে বাংলাদেশ একটি নতুন শাসনতান্ত্রিক যুগে পদার্পণ করবে যেখানে জবাবদিহিতা ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হবে মূল ভিত্তি।