

ডেস্ক রিপোর্ট :
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে এসে হঠাৎ করেই বহুল প্রতীক্ষিত ‘শিক্ষা আইন’-এর খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এই উদ্যোগের সময়জ্ঞান, দ্রুততা এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে শিক্ষাবিদদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই আইন নিয়ে আলোচনা চললেও, বর্তমান খসড়াটি তৈরির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সাথে পর্যাপ্ত আলোচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার সুপারিশ ছিল। কিন্তু প্রস্তাবিত খসড়ায় একে পুনরায় পঞ্চম শ্রেণিতেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
|
বিষয় |
প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত |
|---|---|
|
প্রাথমিক স্তর |
পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সীমিত (অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক)। |
|
কোচিং ও গাইড বই |
আইন কার্যকরের ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে স্থায়ীভাবে বন্ধের উদ্যোগ। |
|
স্তর বিন্যাস |
ষষ্ঠ-দশম (মাধ্যমিক) এবং একাদশ-দ্বাদশ (উচ্চ মাধ্যমিক)। |
|
মাদ্রাসা শিক্ষা |
কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। |
|
শিক্ষক নিয়োগ |
এনটিআরসিএ এবং বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের মাধ্যমে নিয়োগ অব্যাহত থাকবে।
|