নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ | সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) নির্বাচনী এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন বলেছেন, “একটি বিশেষ চক্র এই আসনটি নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে আছে এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনেই আমরা কাজ করছি। কোনো প্রকার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আমাদের বিজয় ঠেকানো যাবে না।”
আজ বেলা ৩টায় সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের মূল দিকসমূহ:
দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতির অঙ্গীকার: তোফায়েল আহমদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী অতীতে কখনো টেন্ডারবাজি বা চাঁদাবাজির সাথে সম্পৃক্ত ছিল না এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে তিনি আপসহীন থাকবেন।
রাজস্ব ও উন্নয়ন বৈষম্য: তিনি উল্লেখ করেন, সুনামগঞ্জ-১ আসন থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেলেও এই অঞ্চল দীর্ঘ ৫৪ বছর যাবৎ উন্নয়ন বঞ্চিত এবং লুটপাটের শিকার। শুল্ক স্টেশন, বালু-পাথর কোয়ারি এবং নিলাদ্রি ও শিমুল বাগানের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এলাকার সম্পদ রক্ষায় তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সুষম উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি: নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মৌলিক চাহিদা পূরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং “জুলাই বিপ্লবের” চেতনা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনী প্রস্তুতি: কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে এই আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই আমাদের বিজয় নিশ্চিত হবে।”
“জুলাই বিপ্লবের পূর্বেও আমরা নির্যাতিত হয়ে জনগণের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।” — মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ:
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সেক্রেটারি, জেলা জামায়াত।
মেহেদী হাসান তুহিন, সভাপতি, জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির।
মোঃ হাবিবুর রহমান, আমীর, জামালগঞ্জ উপজেলা।
বুরহান উদ্দিন, আমীর, ধর্মপাশা উপজেলা।
লুৎফুর রহমান দুলাল, সেক্রেটারি, জেলা শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন।