অন্যান্য রাজনৈতিক জোটগুলো যখন আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে, সেখানে জামায়াত-এনসিপি জোট মাঠপর্যায়ে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন:
তাদের জোট নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই কতটি আসনে তারা লড়বেন, তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
’লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিয়ে উদ্বেগ ও বৈষম্যের অভিযোগ:
নির্বাচনী মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নেই বলে দাবি করেছেন এনসিপি নেতা। তার অভিযোগের মূল পয়েন্টগুলো হলো:
প্রশাসনিক পক্ষপাত: একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সরকারি প্রটোকল ও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রশাসনের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে সরকার কার পক্ষে কাজ করছে।
গণমাধ্যমের ভূমিকা: মূলধারার কিছু মিডিয়া এনসিপি-র বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নেতিবাচক ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নাহিদ ইসলাম দুটি প্রধান দাবি জানিয়েছেন:
ঋণখেলাপিদের প্রার্থিতা: অনেক ঋণখেলাপিকে প্রাথমিকভাবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ: সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে মিডিয়া ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান আইভার্স ইজাবস-এর সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম জানান:
ইইউ এবার একটি বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে।
তাদের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনকে সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্য করা।
ভোটের পর যেন গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর নির্বিঘ্ন হয়, সে বিষয়ে তারা সকল দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।