1. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  2. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
র‍্যাব (RAB)-এর নতুন নাম: ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ শিক্ষা আইনের খসড়া: সংস্কার নাকি পুরনো আইনের পুনরাবৃত্তি? ​আদর্শের বিচ্যুতি ও অপকর্মের অভিযোগ: তাহিরপুর বিএনপি ও শ্রমিকদল নেতার পদত্যাগ ​এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া পরিশোধ: ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিল জমার নির্দেশ বিশ্বকাপে পাকিস্তান আছে, তবে নেই ভারত-পাক মহারণ! ভোটার স্থানান্তর ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ইসিতে বিএনপির একগুচ্ছ অভিযোগ নির্বাচন ঘিরে আর্থিক লেনদেনে কড়াকড়ি: মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে নতুন সীমা ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, মা-বোনদের সতর্ক থাকতে হবে: তারেক রহমান নাইকো মামলা: পাহাড়সম দাবির বিপরীতে নগণ্য প্রাপ্তি ​নির্বাসন ও নিষেধাজ্ঞা: খাদের কিনারায় কি বাংলাদেশের প্রাচীনতম দল?

মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প

ডেস্ক রিপোর্ট :

​সরকার ঢাকার বেইলি রোড ও মিন্টো রোডে মন্ত্রীদের জন্য নতুন তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। ৭৮৬ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের জন্য আধুনিক ও বিশাল আয়তনের ফ্ল্যাট নিশ্চিত করা।

১. প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

  • ভবন সংখ্যা: মোট ৩টি বহুতল ভবন (প্রতিটি ১১ তলা)।
  • অবস্থান: বেইলি রোড (২০ ও ২১ নম্বর বাংলোর জায়গায়) এবং মিন্টো রোড (৩৫ নম্বর বাংলোর জায়গায়)।
  • ফ্ল্যাট সংখ্যা ও আয়তন: মোট ৭২টি ফ্ল্যাট।
    • ​৩৬টি ফ্ল্যাট: ৯,০৩০ বর্গফুট (প্রতিটি)।
    • ​৩৬টি ফ্ল্যাট: ৮,৫০০ বর্গফুট (প্রতিটি)।
  • সুবিধা: প্রতিটি ভবনের ছাদে সুইমিংপুল, জিমনেশিয়াম এবং কমিউনিটি স্পেস থাকবে। ফ্ল্যাটের একটি অংশ অফিস হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
  • বাস্তবায়নকাল: ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা।

২. বর্তমান আবাসন পরিস্থিতি

​বর্তমানে মন্ত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে:

  • বিদ্যমান ব্যবস্থা: ১৫টি বাংলো এবং বেইলি রোডে ৩০টি ফ্ল্যাট (প্রতিটি ৫,৫০০ বর্গফুট)।
  • মোট নির্ধারিত (এয়ার মার্ক) বাড়ি: মন্ত্রীদের জন্য ঢাকা শহরে মোট ৭১টি বাড়ি ও ফ্ল্যাট চিহ্নিত করা হয়েছে।
  • পর্যবেক্ষণ: সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে আবাসনের কোনো প্রকৃত সংকট নেই।

৩. বৈষম্য ও সমালোচনার দিক

​সংবাদটিতে এই বিশাল ব্যয়ের প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের উদ্বেগ উঠে এসেছে:

বিষয়

তুলনা ও মন্তব্য

আয়তনের বৈষম্য

একজন সাধারণ কর্মচারীর বাসার (৬৫০ বর্গফুট) তুলনায় মন্ত্রীদের এই ফ্ল্যাটগুলো প্রায় ১৪ গুণ বড়।

অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনের মতে, রাজস্ব ঘাটতির এই সময়ে এমন ব্যয়বহুল প্রকল্প সরকারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

নৈতিকতা

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিকের মতে, যেখানে ৪ কোটি মানুষ দরিদ্র, সেখানে মন্ত্রীদের জন্য এমন রাজকীয় ফ্ল্যাট ‘বেমানান’।

স্বার্থের সংঘাত

অভিযোগ রয়েছে যে, মন্ত্রীরা নতুন ভবনে গেলে বর্তমান বড় ফ্ল্যাটগুলোতে আমলারা থাকতে পারবেন, তাই আমলারাই এই প্রকল্পে বেশি আগ্রহী।

৪. সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের অবস্থান:

​বর্তমানে অনেক সাংবিধানিক পদের ব্যক্তি (যেমন বিচার বিভাগ বা অন্যান্য সংস্থা) মন্ত্রিপাড়ায় থাকছেন। আইনজ্ঞদের মতে, নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে বিচার বিভাগ বা সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের একত্রে থাকা উচিত নয়, কারণ এতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বা প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

উপসংহার:

প্রকল্পটি এমন এক সময়ে নেওয়া হচ্ছে যখন দেশে অর্থনৈতিক কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলা হচ্ছে। একদিকে আবাসন সংকট নেই বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, অন্যদিকে প্রতিটি ভবনে সুইমিংপুলসহ বিশাল আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ বিলাসিতা ও বৈষম্যের এক বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট