1. live@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 : NEWS ONE-1
  2. info@www.newsone-1.com : NEWS ONE-1 :
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​হাওর রক্ষায় উত্তাল সুনামগঞ্জ: বাঁধের নামে লুটপাটের প্রতিবাদে কৃষকদের রাজপথ অবরোধ সুনামগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত: সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বারোপ ​হাওর রক্ষা বাঁধে ‘দুর্নীতির থাবা’: দিরাই ও শাল্লায় কৃষকদের গণ-সমাবেশ তাহিরপুরে হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে উত্তাল গণ-সমাবেশ অশ্রুসজল নয়নে রাজকীয় বিদায়: এইচ এম পি উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই দিকপালের অবসর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: নিজস্ব ভবনে যাচ্ছে থানা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জিএমপি কমিশনার শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলীকে হত্যাচেষ্টা ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জে দুই আইনজীবীর গ্রেফতার: তীব্র নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি অপরিকল্পিত বাঁধ নয়, হাওরের ফসল রক্ষায় পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করতে হবে: অ্যাড. শিশির মনির সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সুনামগঞ্জে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

​কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও ১৫ লাখের চুক্তি: মোছাব্বির হত্যার নেপথ্যে বিদেশের ‘মাস্টারমাইন্ড’

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

​কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও ১৫ লাখের চুক্তি: মোছাব্বির হত্যার নেপথ্যে বিদেশের ‘মাস্টারমাইন্ড’

ডেস্ক রিপোর্ট :

​রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মোছাব্বির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে ডিবি পুলিশ। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা হয়েছিল সাড়ে চার মাস আগে, যার নেপথ্যে রয়েছেন বিদেশে অবস্থানরত এক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’। কারওয়ান বাজারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথ পরিষ্কার করতেই মোছাব্বিরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক আঁকা হয়।

অভিযানে আটক ৪: নেপথ্যে যারা

​গত শনিবার ঢাকা, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই কিলিং মিশনের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তারা হলেন:

  • মো. জিন্নাত: সরাসরি গুলি চালানো দুই শুটারের একজন।
  • মো. রিয়াজ: মোছাব্বিরের গতিবিধি নজরদারির (রেকি) দায়িত্বে ছিলেন।
  • বিল্লাল ও আবদুল কাদির: হত্যাকাণ্ডের সমন্বয়কারী এবং অর্থ জোগানদাতা।

হত্যাকাণ্ডের নীল নকশা ও অর্থায়ন

​তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এক শীর্ষ সন্ত্রাসী বিদেশ থেকে এই হত্যার নির্দেশ দেন। পুরো অপারেশনের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৫ লাখ টাকা। চুক্তিতে বলা হয়েছিল:

  • ​সমন্বয়কারী বিল্লাল পাবেন ১২-১৫ লাখ টাকা এবং মামলার যাবতীয় খরচ।
  • ​শুটার জিন্নাতকে দেওয়া হবে ৩-৪ লাখ টাকা ও একটি নতুন মোটরসাইকেল।

যেভাবে সম্পন্ন হয় কিলিং মিশন

​গত বুধবার রাতে পশ্চিম তেজতুরী বাজারে মোছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে জিন্নাত ও পলাতক শুটার আবদুর রহিম। এর আগেও একবার হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় এবার পরিকল্পনা বদলে পেশাদার খুনি নিয়োগ দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর খুনিরা মহাখালীর একটি মাঠে অস্ত্র জমা দিয়ে উত্তরার একটি হোটেলে গিয়ে মাদক সেবন করে রাত কাটায়। পরবর্তীতে আত্মগোপনের জন্য বিল্লাল নতুন তিনটি মোবাইল ফোন কেনেন এবং সাটুরিয়া পালিয়ে যান।

​ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এটি মূলত ব্যবসাকেন্দ্রিক এবং এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের ফল। তিনি বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করেছি। তবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।”

​নিহত মোছাব্বির ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় জেল খাটার পর ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর তিনি পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন। আর সেই সক্রিয়তাই কি তার প্রাণ কেড়ে নিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট