
গত বছরের জুলাইয়ের পর মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে আবারও কমানো হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার। সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ সংকুচিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে যারা পেনশনের টাকা বা জমানো পুঁজি সঞ্চয়পত্রে রেখে সংসার চালান, তাদের জন্য এই খবরটি উদ্বেগের।
এক লাখ টাকা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মাসিক মুনাফার ব্যবধান নিচে দেওয়া হলো:
অর্থাৎ, প্রতি এক লাখ টাকায় বিনিয়োগকারীকে এখন প্রতি মাসে ১১০ টাকা কম আয় করতে হবে। বড় অংকের বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হবে।
সরকার প্রতি ছয় মাস অন্তর মুনাফার হার পর্যালোচনা করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের নতুন হারগুলো হলো:
১. পারিবারিক সংকটে মধ্যবিত্ত: পরিবার সঞ্চয়পত্রের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো মাসের শুরুতেই আয়ের ঘাটতির মুখে পড়বে। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে এই ১১০ টাকার ঘাটতি অনেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
২. বিনিয়োগে নিরুৎসাহ: বারবার মুনাফার হার কমতে থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সঞ্চয়পত্রের বিকল্প কোনো নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম খুঁজবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
৩. সরকারি নীতি: অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (ইআরডি) থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি ছয় মাস অন্তর বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই এই সমন্বয় করা হচ্ছে।