

ডেস্ক রিপোর্ট:
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বড় অগ্রগতি পেয়েছে পুলিশ। রাজধানীর আদাবর থেকে এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি আলমগীর শেখের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিমন রহমানকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপির ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ডিভিশন (আইএডি) আদাবরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হিমনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যে বাইতুল আমান হাউজিংয়ের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়: ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৩টি তাজা গুলি।বিপুল পরিমাণ আতশবাজি, পটকা ও বারুদ। ককটেল তৈরির সরঞ্জামাদি।
গত ১২ ডিসেম্বর পুরানা পল্টনে প্রকাশ্য দিবালোকে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু নাম:
|
নাম |
ভূমিকা |
বর্তমান অবস্থা |
|---|---|---|
|
ফয়সাল করিম মাসুদ |
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা; মোটরসাইকেলের পেছনে বসে হাদিকে সরাসরি গুলি করেন। |
বিদেশে পলাতক (ভারত)। |
|
আলমগীর শেখ |
যুবলীগ নেতা; গুলি করার সময় মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন। |
বিদেশে পলাতক (ভারত)। |
|
তাইজুল ইসলাম (বাপ্পী) |
সাবেক কাউন্সিলর; ঘাতকদের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। |
অভিযুক্ত। |
|
হিমন রহমান শিকদার |
আদাবর যুবলীগ কর্মী; ঘাতক আলমগীরের সহযোগী ও নাশকতার পরিকল্পনাকারী। |