
বাবুল মিয়া , সুনামগঞ্জ | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সুনামগঞ্জের রাজনৈতিক আকাশে আরপিননগরের উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উদিত হয়েছেন তরুণ নেতা অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল। সাবেক খাদ্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মেজর ইকবালের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি এখন জেলাবাসীর ভরসার কেন্দ্রবিন্দু। একই মহল্লা থেকে আসা চাচা-ভাতিজার এই সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব সুনামগঞ্জের ইতিহাসে এক বিরল ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করল।
মরহুম মেজর ইকবাল ছিলেন সুনামগঞ্জের রাজনীতির এক মহীরুহ। ১৯৭৭ সালে পৌর চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে ১৯৭৯ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির শাসনামলে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি খাদ্যমন্ত্রী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সুনামগঞ্জের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা আজও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
প্রায় তিন দশক পর সুনামগঞ্জ সদর এমন এক নেতাকে পেয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে 'তরুণ আইকন'। গত ১৭ বছর রাজপথে শহীদ জিয়ার আদর্শের অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে লড়াই করা অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল যেন এক 'হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালা'। তাঁর জাদুকরী সাংগঠনিক শক্তিতে প্রথমবারই জাতীয় সংসদ জয় করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশজুড়ে গুঞ্জন বইছে, উন্নয়নের এই কারিগর যুব মন্ত্রীত্বের দৌড়েও বেশ এগিয়ে রয়েছেন।
বিগত আওয়ামী শাসনামলে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী এম.এ মান্নানের 'একচোখা উন্নয়ন নীতি'র কারণে জেলা সদর চরমভাবে অবহেলিত ছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের মতো বড় প্রকল্পগুলো সদরে না করে নিজ এলাকার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার ক্ষোভ এখনও কাটেনি সদরবাসীর। এমনকি রেল যোগাযোগ নিয়ে একরোখা সিদ্ধান্তের কারণে থমকে আছে উন্নয়ন কাজ।
সুনামগঞ্জ সদরের স্থবির হয়ে পড়া উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে নূরুল ইসলাম নূরুলের ওপর এখন বিশাল প্রত্যাশার চাপ। স্থানীয়রা তাঁর মাধ্যমে যে উন্নয়নগুলো দ্রুত দেখতে চান:
"নিরাশার মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। তিন দশকের বঞ্চনা ঘুচিয়ে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল সুনামগঞ্জকে উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দেবেন—এটাই এখন হাওরপাড়ের মানুষের একমাত্র প্রার্থনা।"