
ডেস্ক রিপোর্ট :
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
শেরপুরে রাজনৈতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সরকার এই ঘটনাকে 'অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য' বলে আখ্যায়িত করেছে।
ভোটের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি তিনটি বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে:
সংযম প্রদর্শন: সমর্থকদের মধ্যে যেকোনো ধরনের উস্কানি বা সংঘর্ষ এড়াতে সংযম নিশ্চিত করা।
গণতান্ত্রিক আচরণ: গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভয়ভীতি বা প্রাণহানির কোনো স্থান নেই—এই আদর্শ বজায় রাখা।শান্তিপূর্ণ প্রচারণা: গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের কাছে যাওয়ার পরামর্শ।
অন্তর্বর্তী সরকার পুনরায় তাদের প্রধান লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়:
"একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্ত পরিবেশ ও শৃঙ্খলার ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।"
সারসংক্ষেপ: নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই প্রাণহানি রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও, সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ এবং তদন্তের আশ্বাস জনমনে স্বস্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।
নিউজওয়ান/অনলাইন ডেস্ক :