
ডেস্ক রিপোর্ট :
গত শুক্রবার মাদারীপুরের শিবচরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় ৪২ বছর বয়সী কৃষিবিদ শহিদুল ইসলামের নিথর দেহ। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এই বাসিন্দার আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের দাবি, তিনি 'অজ্ঞান পার্টি' বা কোনো অপরাধী চক্রের শিকার হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম গবেষণা কেন্দ্রের (CIMMYT) বরিশাল কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন শহিদুল ইসলাম। গত ২১ জানুয়ারি (বুধবার) সকালে অফিসের কাজে তিনি ঢাকার গুলশানে একটি ব্যাংকে যান। কাজ শেষে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর দুপুর থেকেই তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উদ্বিগ্ন শ্বশুর ওই দিনই গুলশান থানায় জিডি করেন। এর দুই দিন পর শিবচরের সূর্যনগর এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল ও তদন্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে:
শহিদুলের স্ত্রী শাম্মী আকতারের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পরিবেশ। বরিশালে দুই সন্তানকে (১০ বছর ও ৩ বছর বয়সী) নিয়ে সাজানো সংসারে এখন অন্ধকার। শাম্মী আকতার বলেন:
"তিনি খুব সচেতন মানুষ ছিলেন, হুট করে কারো দেওয়া খাবার খাওয়ার লোক নন। আমার সন্দেহ মলম বা অজ্ঞান পার্টি তাঁকে হত্যা করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
আজ রোববার বেলা ১১টায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।