
ডেস্ক রিপোর্ট নিও:
বাংলাদেশে বর্তমানে এইচআইভি বা এইডস শুধু নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তরুণ ও অবিবাহিতদের মধ্যে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে পরিস্থিতিটি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।
বিগত এক বছরে এইচআইভি সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত চারটি প্রধান কারণে তরুণরা এই মরণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে:
এইচআইভি পজিটিভ হওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়। নিয়মিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART) গ্রহণ করলে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি:
দেশের বিশিষ্ট ভাইরাসবিদ এবং জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, এই হার কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:
"অল্প বয়সের কৌতূহলকে সচেতনতায় রূপান্তর করতে হবে। স্কুল পর্যায়ে প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং সামাজিক ট্যাবু ভেঙে সুরক্ষা নিয়ে কথা বলা এখন সময়ের দাবি।" — অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ভাইরাসবিদ।
|
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ |
লক্ষ্য |
|---|---|
|
সচেতনতা বৃদ্ধি |
ভ্রান্ত ধারণা দূর করা এবং ঝুঁকির বিষয়ে জানানো। |
|
যৌন শিক্ষা |
স্কুল-কলেজে সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রদান। |
|
টেস্টিং সুবিধা |
লজ্জা বা ভয় কাটিয়ে দ্রুত এইচআইভি পরীক্ষা করানো। |
|
সরকারি নজরদারি |
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাজের তদারকি বাড়ানো। |
একজন ২৪ বছর বয়সী আক্রান্ত তরুণের আক্ষেপ ছিল— "আমি জানতাম না একটা সুচ শেয়ার করা এত বড় ঝুঁকি।" এই 'না জানা' বা অজ্ঞতাই এখন সবচেয়ে বড় শত্রু। তরুণদের কৌতূহল যেন জীবনের কাল না হয়, সেজন্য এখনই পরিবার ও সমাজকে সচেতন হতে হবে।