রাজনীতিতে পরিবর্তনের ডাক: তারেক রহমানের নতুন ভিশনডেস্ক রিপোর্ট :
দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে অংশ নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন যে, বিএনপি অতীতের বিভাজন ও প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যেন জাতীয় অনৈক্যের কারণ না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন— ৫ আগস্টের ঘটনা আমাদের শিখিয়েছে যে পুরোনো ধারার রাজনীতিতে ফেরার আর সুযোগ নেই।
রাষ্ট্র পরিচালনায় এলে বিএনপি কী কী পরিবর্তন আনতে চায়, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি:
ব্যয়বহুল চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধের (Prevention Model) ওপর জোর দেন তিনি। মানুষকে সচেতন করার মাধ্যমে কিডনি, হার্ট বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "সমালোচনা প্রয়োজন, তবে তা যেন হয় গঠনমূলক।" দেশের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জ্যোষ্ঠ নেতৃবৃন্দ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (মহাসচিব), আমীর মাহমুদ খসরু চৌধুরী (স্থায়ী কমিটি), সালাউদ্দিন আহমেদ (স্থায়ী কমিটি)।
এছাড়াও সংবাদপত্রের সম্পাদকবৃন্দ:
শফিক রেহমান যায়যায়দিন, মাহমুদুর রহমান আমার দেশ,মাহফুজ আনাম ডেইলি স্টার,মতিউর রহমান চৌধুরী মানব জমিন,নুরুল কবির নিউ এজ।
সর্বোপরি তারেক রহমানের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে এক নতুন রাজনৈতিক অঙ্গীকার:
যেখানে বিভক্তির চেয়ে উন্নয়ন এবং প্রতিহিংসার চেয়ে সংস্কারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণে এবং রাষ্ট্রের সঠিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে রাজনীতিবিদদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়েছেন।
ছবি সংগৃহীত :