সুনামগঞ্জের দুটি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা নিয়ে এক ধরণের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। দলের মনোনীত প্রার্থীরা যখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, ঠিক তখনই নতুন প্রার্থীর চিঠিতে পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) সংসদীয় আসনে প্রথমে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নাম ঘোষণা করে। বয়োজ্যেষ্ঠ এই নেতা ইতিমধ্যে প্রচারণা চালিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজ শুরু করেছেন।
তবে বিপত্তি বাধে রবিবার সন্ধ্যায়, যখন জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেলের নামে মহাসচিব স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এই আসনে গত ৩ ডিসেম্বর প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হকের নাম। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন।রাত-দিন চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। একক প্রার্থী হিসেবে যখন নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এমন সময় দলীয় সিদ্ধান্তে যেনো সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছে।
রবিবার রাত ৯টার দিকে দৃশ্যপট বদলে যায়। জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুলকে মনোনয়ন দেওয়ার একটি চিঠি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। কামরুল নিশ্চিত করেছেন যে, কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে ফোন পেয়ে তার প্রতিনিধি চিঠিটি সংগ্রহ করেছেন এবং তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করার ব্যাপারে আশাবাদী।
|
আসন |
প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী |
নতুনভাবে আলোচনায় আসা প্রার্থী |
বর্তমান অবস্থা |
|---|---|---|---|
|
সুনামগঞ্জ-২ |
নাছির উদ্দীন চৌধুরী |
তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল |
দুজনেই মনোনীত; ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ফয়সালা। |
|
সুনামগঞ্জ-১ |
আনিসুল হক |
কামরুজ্জামান কামরুল |