প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬, ৫:১৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১:৩৮ পি.এম
নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন: জামায়াত-এনসিপিসহ ১০ দলের সমঝোতা
নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন: জামায়াত-এনসিপিসহ ১০ দলের সমঝোতা
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মেরুকরণে নতুন মোড় নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দলের জোটে নতুন করে যুক্ত হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। এর ফলে মোট ১০টি দলের মধ্যে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হলো।
সংবাদ সম্মেলনের মূল পয়েন্টগুলো:
- ঐক্যবদ্ধ পথচলা: আজ রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ১০ দলের জোটবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই এই সমঝোতা।
- আসন বণ্টন চূড়ান্ত পর্যায়ে: জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০০ আসনের প্রার্থী নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ছোটখাটো কিছু বিষয় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরপরই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
- এনসিপির অবস্থান: এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সরাসরি জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। দলটি আলাদাভাবে সভা করে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানাবে।
- সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি: জোটের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়েছে। তবে এখনো 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' বা সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান।
নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি বার্তা
সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, গত তিনটি নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে কেউ জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে চাইলে তা বরদাশত করা হবে না। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে কোনো ভয়ভীতি বা আনুকূল্যের ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এক নজরে জোটের বর্তমান অবস্থা:
- পূর্বের জোট: ৮ দল।
- নতুন যুক্ত: এলডিপি ও এনসিপি।
- মোট সদস্য: ১০ দল।
- লক্ষ্য: ৩০০ আসনে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত